
২০১৫ সালে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ভর্তি পরীক্ষায় দেশসেরা হয়ে আলোচনায় আসা মেধাবী শিক্ষার্থী শোয়াইব আহমেদ ইন্তেকাল করেছেন। দীর্ঘদিন ধরে ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
শোয়াইব আহমেদ বুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার বয়স হয়েছিল প্রায় ২৮ বছর।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আগামীকাল শনিবার (১০ জানুয়ারি) বাদ জোহর নিজ জেলা জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার হরেন্দা গ্রামে তার জানাজা শেষে দাফন সম্পন্ন করা হবে।
শোয়াইব আহমেদের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বুয়েটের সাধারণ শিক্ষার্থীরা। এক শোকবার্তায় তারা বলেন, ২০১৫ সালে বুয়েট ভর্তি পরীক্ষায় সারা দেশে প্রথম হয়ে শোয়াইব ভাই আমাদের মতো অসংখ্য শিক্ষার্থীর অনুপ্রেরণার উৎস ছিলেন। পত্রিকা ও পোস্টারে তার নাম দেখে অনেকেই বুয়েটে পড়ার স্বপ্ন দেখেছিল। তার শিক্ষার্থী আইডি ‘১৫০৬০০১’ শুধু একটি নম্বর নয়, বরং মেধা ও অধ্যবসায়ের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
শোকবার্তায় আরও বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরে কঠিন ব্রেন টিউমারের সঙ্গে লড়াই করে তিনি অবশেষে মহান স্রষ্টার ডাকে সাড়া দিয়েছেন। অসাধারণ সাফল্যের পরও শোয়াইব ছিলেন অত্যন্ত বিনয়ী ও শান্ত স্বভাবের মানুষ। সেই শান্ত মানুষটি আজ চিরনিদ্রায় শায়িত।
ঢাকার নটর ডেম কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা শেষ করে ২০১৫ সালে বুয়েট ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেন শোয়াইব আহমেদ। হাজারো প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে প্রথম স্থান অর্জনের মাধ্যমে তিনি দেশের শিক্ষাঙ্গনে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।
তার মৃত্যুতে শিক্ষাঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।